স্তন ক্যানসার নিয়ে নানা ধরনের ভ্রান্ত ধারণা গেঁথে বসে রয়েছে সমাজে। কেউ বলেন, নির্দিষ্ট রঙের অন্তর্বাস পরলে ক্যানসার হয়, কেউ বলেন খুলে ঘুমোলে রোগ হয়, কেউ বা পরে থাকতে বলেন, কেউ আবার অন্তর্বাসের মাপের সঙ্গে ক্যানসারের যোগ টানেন। নানা ধরনের এই সমস্ত ভুল ধারণা বহু বছর ধরেই বিদ্যমান। তাতে ঘি ঢালতে হাজির হয়েছে সমাজমাধ্যম। নানা রিলে নানা বক্তব্য। আদপে কোনটি সত্যি?
স্তন ক্যানসার চিকিৎসকদের মতে, অন্তর্বাসের রং, ধরন কিংবা রাতে সেটি পরে ঘুমোনোর সঙ্গে স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ার কোনও নির্ভরযোগ্য বৈজ্ঞানিক যুক্তি এখনও প্রতিষ্ঠিত হয়নি। তাই অন্তর্বাস নিয়ে অযথা আতঙ্কিত না হয়ে স্তনের স্বাস্থ্যে পরিবর্তনগুলির দিকে নজর দেওয়াই বেশি জরুরি।
অন্তর্বাস পরে ঘুমোনো হয় না কি খুলে?
কেউ রাতে অন্তর্বাস পরে স্বচ্ছন্দ বোধ করেন, আবার কেউ ঘুমোতে যাওয়ার আগে সেটি খুলে ফেলতে পছন্দ করেন। চিকিৎসকের মতে, এই সিদ্ধান্ত মূলত ব্যক্তিগত আরাম ও পছন্দের উপর নির্ভর করে। রাতে অন্তর্বাস পরে ঘুমোলেই স্তন ক্যানসার হয়, এমন প্রমাণ নেই। তবে অন্তর্বাস খুব আঁটোসাঁটো হলে ত্বকে ঘষা লাগতে পারে, চাপের দাগ তৈরি হয়ে যেতে পারে বা ব্যথা হতে পারে। স্তনে ব্যথা হলে নরম কাপড়ের অন্তর্বাস আরামদায়ক হতে পারে। আবার অনেকের ক্ষেত্রে অন্তর্বাস পরে ঘুমোনোই বেশি স্বস্তির।
ভুল মাপের অন্তর্বাস পরলে কী হতে পারে?
ভুল মাপের অন্তর্বাস স্তনে অস্বস্তি, ত্বকে জ্বালা, ঘষা লেগে ক্ষত বা চাপের দাগ তৈরি করতে পারে। কিন্তু এই সমস্যাগুলিকে স্তন ক্যানসারের সঙ্গে এক করে দেখা উচিত নয়। তাই অন্তর্বাস কেনার সময়ে শুধু নকশা বা রং নয়, সঠিক মাপ এবং আরামের দিকেও নজর দেওয়া জরুরি। শরীরের মাপ বদলালে, বিশেষ করে গর্ভাবস্থা বা স্তন্যদানের সময়ে অন্তর্বাসের মাপ বদলানোর প্রয়োজন হতে পারে।
স্তনে কিছু পরিবর্তন দেখা দিলে চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলতে হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী তিনি আলট্রাসাউন্ড, ম্যামোগ্রাফি বা বায়োপ্সি করার পরামর্শ দিতে পারেন। কোন পরীক্ষা প্রয়োজন, তা নির্ভর করবে বয়স, উপসর্গ এবং স্বাস্থ্যপরীক্ষার ফলাফলের উপর।
· স্তন বা বাহুমূলে হঠাৎ মাংসপিণ্ড দেখা দেওয়া।
· যে কোনও একটি স্তনের আকার বা আকৃতিতে পরিবর্তন।
· ত্বকে গর্ত বা কুঁচকে যাওয়ার মতো লক্ষণ।
· স্তনবৃন্তে অস্বাভাবিক পরিবর্তন।
· স্তনে একটানা অস্বস্তি বোধ করা।
স্তন ক্যানসার চিকিৎসকদের মতে, অন্তর্বাসের রং, ধরন কিংবা রাতে সেটি পরে ঘুমোনোর সঙ্গে স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ার কোনও নির্ভরযোগ্য বৈজ্ঞানিক যুক্তি এখনও প্রতিষ্ঠিত হয়নি। তাই অন্তর্বাস নিয়ে অযথা আতঙ্কিত না হয়ে স্তনের স্বাস্থ্যে পরিবর্তনগুলির দিকে নজর দেওয়াই বেশি জরুরি।
অন্তর্বাস পরে ঘুমোনো হয় না কি খুলে?
কেউ রাতে অন্তর্বাস পরে স্বচ্ছন্দ বোধ করেন, আবার কেউ ঘুমোতে যাওয়ার আগে সেটি খুলে ফেলতে পছন্দ করেন। চিকিৎসকের মতে, এই সিদ্ধান্ত মূলত ব্যক্তিগত আরাম ও পছন্দের উপর নির্ভর করে। রাতে অন্তর্বাস পরে ঘুমোলেই স্তন ক্যানসার হয়, এমন প্রমাণ নেই। তবে অন্তর্বাস খুব আঁটোসাঁটো হলে ত্বকে ঘষা লাগতে পারে, চাপের দাগ তৈরি হয়ে যেতে পারে বা ব্যথা হতে পারে। স্তনে ব্যথা হলে নরম কাপড়ের অন্তর্বাস আরামদায়ক হতে পারে। আবার অনেকের ক্ষেত্রে অন্তর্বাস পরে ঘুমোনোই বেশি স্বস্তির।
ভুল মাপের অন্তর্বাস পরলে কী হতে পারে?
ভুল মাপের অন্তর্বাস স্তনে অস্বস্তি, ত্বকে জ্বালা, ঘষা লেগে ক্ষত বা চাপের দাগ তৈরি করতে পারে। কিন্তু এই সমস্যাগুলিকে স্তন ক্যানসারের সঙ্গে এক করে দেখা উচিত নয়। তাই অন্তর্বাস কেনার সময়ে শুধু নকশা বা রং নয়, সঠিক মাপ এবং আরামের দিকেও নজর দেওয়া জরুরি। শরীরের মাপ বদলালে, বিশেষ করে গর্ভাবস্থা বা স্তন্যদানের সময়ে অন্তর্বাসের মাপ বদলানোর প্রয়োজন হতে পারে।
স্তনে কিছু পরিবর্তন দেখা দিলে চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলতে হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী তিনি আলট্রাসাউন্ড, ম্যামোগ্রাফি বা বায়োপ্সি করার পরামর্শ দিতে পারেন। কোন পরীক্ষা প্রয়োজন, তা নির্ভর করবে বয়স, উপসর্গ এবং স্বাস্থ্যপরীক্ষার ফলাফলের উপর।
· স্তন বা বাহুমূলে হঠাৎ মাংসপিণ্ড দেখা দেওয়া।
· যে কোনও একটি স্তনের আকার বা আকৃতিতে পরিবর্তন।
· ত্বকে গর্ত বা কুঁচকে যাওয়ার মতো লক্ষণ।
· স্তনবৃন্তে অস্বাভাবিক পরিবর্তন।
· স্তনে একটানা অস্বস্তি বোধ করা।
ফারহানা জেরিন